পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘ'র ৫৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্ যাপন উপলক্ষে ১৬ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২৬ সকাল ১০টায় রাজ্য দপ্তরে সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করলেন সভাপতি পবিত্র সরকার , পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করলেন সহ-সভাপতি অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়,সাধারণ সম্পাদক রজত বন্দ্যোপাধ্যায়, অধ্যাপক শ্যামল চক্রবর্তী , চিত্র শিল্পী কমল আইচ , কোষাধ্যক্ষ শ্রীনিবাস ধর , সংস্কৃতিকর্মী শ্রীজিতা ভট্টাচার্য , কবি মনোজ দাস, কবি সজল শ্যাম সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।পন়ে দেয়।
২২ শে মার্চ ২০২৬ সুকান্ত জন্ম শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আয়োজনে রাজ্যস্তরের আবৃত্তি ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হল কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন (মেইন)-এ। উদযাপন কমিটির পতাকা উত্তোলন করেন ও প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন কমিটির সম্পাদক রজত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুকান্ত জন্ম শতবর্ষ পালনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন আহ্বায়ক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাবন্ধিক রমেশ দাস। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা একশোর ওপর প্রতিযোগী এবং তাঁদের অভিভাবকবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, শ্রীনিবাস ধর,কঙ্কন সরকার, অনিরুদ্ধ মৈত্র,কমল আইচ, আব্দুল মান্নান চৌধুরী,অশোক কর,পৃথ্বীশ ভৌমিক, সীমান্ত তরফদার,গজেন কুমার বাড়ই, সুজাতা বেরা, অসীম চক্রবর্তী,সুব্রত দেব, শ্রীজিতা ভট্টাচার্য সহ বহু সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। সবশেষে বিজয়ী প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হয় ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেককে স্মারক ও শংসাপত্র দেওয়া হয়।
প্রত্যেক বছরের মতো এবছরও ২৭ মার্চ,২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘ, গণনাট্য সংঘ -পশ্চিমবঙ্গ , সংস্কৃতি সমন্বয় , ভাষা ও চেতনা সমিতি , পশ্চিমবঙ্গ ছোটোপত্রিকা সমন্বয় সমিতি, ক্রান্তি শিল্পী সংঘ, ভারতীয় গণসংস্কৃতি সংঘ,জনবাদী লেখক সংঘ ইত্যাদি ১২ টি সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন নাট্যদলের যৌথ প্রয়াসে যথোচিত মর্যাদায় পালিত হলো ইউনেস্কোর তত্ত্বাবধানে থিয়েটার ইনস্টিটিউট আহূত বিশ্বনাট্য দিবস ।বিকেল চারটের সময় শিয়ালদহ জগৎ সিনেমা হলের সামনে থেকে মানিকতলা রামমোহন মঞ্চ পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে।
সারা বিশ্ব এখন প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। মানুষে মানুষে যোগাযোগ ও সম্পর্কের মাধ্যম হয়ে উঠেছে যন্ত্র। তথ্যের জন্যেও আমরা এখন যান্ত্রিক বুদ্ধিমত্তার সহায়তা চাইছি। এইরকম এক সময়ে আমেরিকান নাট্যব্যক্তিত্ব উইলেম জেমস ড্যাফো আস্থা রাখছেন থিয়েটারের শক্তির ওপর। তিনি মনে করেন যে - মানুষ, সম্প্রদায় ও সংস্কৃতির সঙ্গে যোগাযোগের মধ্য দিয়েই এই শক্তি বিকশিত হয়। আমাদের পৃথিবী কী ছিল, কী আছে এবং কী হতে পারে - থিয়েটার আমাদের তা প্রত্যক্ষ করতে সাহায্য করে, আমাদের প্রশ্ন করতে প্ররোচিত করে। এবছরের বিশ্বনাট্য দিবসের বাণীতে আমেরিকান নাট্যব্যক্তিত্ব উইলেম জেমস ড্যাফোর আহ্বান --থিয়েটার নিছক বিনোদন বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রথা না হয়ে সমাজের যাবতীয় অসঙ্গতি ও অসাম্যের দিকে তর্জনী তুলুক।
পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন পবিত্র সরকার, পঙ্কজ মুন্সী, অসিত বসু,অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, রজত বন্দ্যোপাধ্যায়,তপতী ভট্টাচার্য প্রমুখ নাট্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। পদযাত্রার শেষে রামমোহন মঞ্চের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ নাট্যজন অশোক মুখোপাধ্যায়, উদ্বোধক ছিলেন নাট্যকার , পরিচালক ও অভিনেতা মেঘনাদ ভট্টাচার্য এবং প্রধান অতিথি ছিলেন অভিনেতা মানসী সিনহা। গতবছরের উদ্বোধক ভদ্রা বসুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন করে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে সূচনা কথা এবং এবছরের বিশ্বনাট্য দিবসের বাণী পাঠ। তারপর উদ্বোধক , সভাপতি , প্রধান অতিথির অভিভাষণ। পরবর্তী পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : বাদল সরকারের নাটকের গান, গড়িয়া সুচর্চা এবং উহিনী কলকাতার দুটি একাঙ্ক নাটক, পুরোগমনা কলা সাহিত্য সংঘম , পশ্চিমবঙ্গ শাখার নৃত্য সহযোগে মালয়ালম ভাষায় গান ও একটি ছোট নাটক এবং পরিশেষে ক্রান্তি শিল্পী সংঘের শ্রুতি নাটক কর্ণ-কুন্তি সংবাদ ।